আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ইসলামী আন্দোলন-এর নেতার মামলায় কুখ্যাত নাস্তিক ব্লগার আসাদ নুর গ্রেফতার

দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক ব্লগার আসাদ নূরকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।
সোমবার সন্ধার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইউরোপে থাকা নাস্তিক মুফাস্সিল এর ফেসবুক লাইভ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
আসাদকে গ্রেফতারের পর মুফাস্সিল ফেসবুক লাইভে এসে জানায়, আসাদ এর আগে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো, কিন্তু আইন জটিলতায় সেখানে থাকতে পারেনি। পরে সেখান থেকে নেপাল চলে যায়।
পরবর্তী ইউরোপে থাকা মুফাস্সিলসহ অন্যান্য নাস্তিকদের পরামর্শে বাংলাদেশে এসে ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করে।
বাংলা ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়, আসাদ নূরের বিরুদ্ধে এ বছরের ১১ জানুয়ারি বরগুনার আমতলী থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা (নম্বর ১৪) দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমতলী শাখার সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক।
মামলায় আসাদের বিরুদ্ধে মহানবী হযরত মুহম্মদ সা. এর বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। ঢাকার ইমিগ্রেশন পুলিশ ও  আমতলী থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বরগুনার আমতলী থানার ওসি শহীদ উল্লাহ বলেন, ‘ব্লগার আসাদ নূর ও তার এক সহযোগী লিমন ফকিরের বিরুদ্ধে মহানবীকে সা. নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে মামলা হয়েছিল। মামলার পরপরই লিমন ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু আসাদ নূর পলাতক ছিলেন।
সোমবার তিনি বিমানবন্দর দিয়ে নেপালে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। আমাদের টিম তাকে আনার জন্য ঢাকায় রওয়ানা হয়েছে।’
ওসি বলেন, ‘এর আগে আসাদ নূর কিছু দিন ভারতে গিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। আমরা তার বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশকে জানিয়ে রেখেছিলাম।’
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, আসাদ নূর নেপালের কাঠমাণ্ডু যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চ্যানেল পার হচ্ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই রেড নোটিশ থাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আমতলী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মাধব চন্দ্র দে বলেন, ‘আসাদ নূরের বাড়ি আমতলীর উত্তর টিয়াখালী। তার বাবার নাম তোফাজ্জল হোসেন।’
জানা যায়, নিজেকে নাস্তিক হিসেবে প্রচার করতে চাইলেও আসাদ নূর ছিলো মূলত ইসলাম বিদ্ধেষী ব্লগার। সম্প্রতি পবিত্র কুরআন শরীফে আগুন দিয়ে ভিডিও করে তা ফেসবুকে ছেড়েছিলো আসাদ।
আওয়ার ইসলাম
 

আপনার মতামত দিন
0Shares

স্যোসাল মিডিয়াতে দেখুন আমাদের সংবাদ

Follow us on Facebook Follow us on Twitter Follow us on Pinterest 0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     একই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ