আজ ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

জুমার খুৎবা নিয়ন্ত্রণ ও মুসল্লী নজরদারী সহ্য করা হবে না: মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন

আইএবি নিউজ : বিচার বিভাগের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা দেশে অনভিপ্রেত সংকট তৈরী করেছে। এই সংকট সরকার এবং বিচার বিভাগকেই নিরসন করে জাতিকে মুক্তি দিতে হবে। তানাহলে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থার প্রাচীর ভেঙ্গে যাবে। দেশে তখন রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরী হবে। যা জাতির জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে।
অধ্যক্ষ ইউনুস আরো বলেন, সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা রাম-বামদের পেতাত্মারা সরকারকে বিব্রত করার জন্য এবং আমজনতার মনে আতংক সৃষ্টি করার জন্য ধর্মীয় স্পর্শকাতর বিষয় ও স্থান নিয়ে হঠাৎ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। তাদের এই আস্ফালন বরদাস্ত করা হবে না। তারা দেশ-জাতি ও মানবতার শত্রু। এদের বিচারের আওতায় আনার জন্য ব্লাসফেমি আইন প্রণয়ন করতে হবে। জুমার খুৎবা, খতীব, মসজিদ ও মুসল্লীদের নজরদারী করার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীকে বলা হয়েছে। নজরদারী শব্দ ব্যবহার করা হয় অপরাধীদের ক্ষেত্রে। ইমাম খতীব ও মুসল্লীরা কি ইবাদত করতে এসে অপরাধী হয়ে গেল? তাদেরকে নজরদারীর আওতায় আনতে হবে? এধরণের উস্কানিমূলক শব্দ ও বক্তব্য যারা দেয়, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করে স্বার্থ হাসিল করতে চায়। বিদেশী প্রভুদের সন্তুষ্টি ও কৃপা কামনা করে। তাদেরকে চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট’১৭) সকাল ১০টায় পল্টনস্থ নগর কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের মজলিশে শুরার অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ উপর্যুক্ত কথা বলেন।
নগর উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাও. শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতী দেলোয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব হারুন আর রশিদ, মুহাঃ মোশাররফ হোসেন, মাওঃ আরিফুল ইসলাম, হাফেজ মাওঃ সিদ্দিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম নাঈম, মুফতী মাছউদুর রহমান, একেএম নাজমুল হক, ডা: মুজিবুর রহমান, হাফেজ নিজামুদ্দিন, প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দীন, হাফেজ হানিফ ভূঁইয়া, হাজী মোস্তাফা, হাজী আবু ইউসুফ, আবুল হোসেন প্রমুখ।
বন্যাদুর্গত ৩৩টি জেলার মানুষের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, চলমান বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের কারণে অনেক মানুষ সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। এই দুর্গত মানুষের সেবায় সকল শ্রেণী-পেশার লোকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি সরকারের ত্রাণ তৎপরতার সমালোচনা করে বলেন, সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা মিডিয়ার সামনে বার বার বলছেন পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই ত্রাণ সর্বস্বান্ত দুর্গত মানুষদের কাছে পৌছায়নি।

আপনার মতামত দিন
0Shares

স্যোসাল মিডিয়াতে দেখুন আমাদের সংবাদ

Follow us on Facebook Follow us on Twitter Follow us on Pinterest 0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     একই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ