ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে মূর্তি স্থাপন বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের চিন্তা-চেতনা পরিপন্থি। অবিলম্বে এ মূর্তি অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় ঈমানদার জনতা কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।
তিনি বলেন, মূর্তি বা ভাস্কর্য ভিনদেশী সংস্কৃতি হলেও সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানদের সংস্কৃতি হতে পারে না। ইসলাম এসেছে মূর্তি বা ভাস্কর্য প্রতিহত করতে। কিন্তু মুসলমানের দেশে রাস্তার মোড়ে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইসলামী চেতনা বিরোধী কোন ভাস্কর্য স্থাপন মেনে নেয়া যায় না। গ্রীস দেবীর মূর্তির ভাস্কর্য একহাতে তলোয়ার অন্যহাতে পাল্লা। এটা মুসলমানের বাংলাদেশে হতে পারে না।
তিনি বলেন, মূর্তি প্রতিস্থাপন করে বিশেষ মহলকে খুশি করার চেষ্টা করা হলেও দেশের ৯২ ভাগ চরম নাখোশ। এটা অপসারণ না করলে বিমানবন্দরের মতো জনগণ কঠোর আন্দোলন গড়ে উঠবে। তিনি দেশবাসীকে মূর্তি বা ভাস্কর্যর বিরুদ্ধে সোচ্চার ভুমিকা পালনের দাবি জানান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলার সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব- অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা নেছার উদ্দিন, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি হেমায়েতুল্লাহ, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব হারুনুর রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা উত্তর অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, প্রিন্সিপাল মাওলানা কেফায়েতল্লাহ কাশফী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, আলহাজ্ব নাজিম উদ্দীন, এ্যাডভোকেট একেএম এরফান খান, মাাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব কে.জি. মাওলা প্রমুখ।
মাওলানা মাদানী বলেন, নিবন্ধিত সকল দলের মতামতের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। অতীতের মতো একতরফাভাবে দলীয় লোকজন দ্বারা নির্বাচন কমিশন গঠনের চেষ্টা কারো জন্য মঙ্গলজনক হবে না। একটি নিরপেক্ষ, যোগ্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) দেখতে চায় দেশের মানুষ। যাতে ওই কমিশন সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে। বর্তমান সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে প্রশাসনসহ সর্বত্র আজ্ঞাবহ লোকজন সেটিং করে ক্ষমতায় আজীবন টিকে থাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া যেন সুষ্ঠু এবং সব দলের অংশগ্রহণে মাধ্যমে নির্বাচন হয়, আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়