আজ ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

দেশে চুরি ও দুর্নীতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে: অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ

আইএবি নিউজঃ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ “শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ-এর বক্তব্য ঘুষ খান সহনশীল হয়ে” শিক্ষামন্ত্রীর একথায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, তার বক্তব্যে প্রমাণ করে দেশে দুর্নীতি কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, “শুধু কর্মকর্তারাই ঘুষ খায় না, মন্ত্রীরাও দুর্নীতি করেন। মন্ত্রীরা চোর, আমিও চোর। ওই দপ্তরে চাকুরী করে একজন লোক ঢাকায় ১৩টি বাড়ী করেছেন।” তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর এ কথায় দেশে চোর ও দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম কোন পর্যায়ে গেছে তা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। শিক্ষামন্ত্রীল এ্ বক্তব্যের পর দেশে আশঙ্কাজনক হারে ঘুষ ও চুরি বৃদ্ধি পাবে এতে কোন সন্দেহ নেই।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসলাম ঘুষ ও দুর্নীতিকে হারাম বলে ঘোষণা করেছে। সেক্ষেত্রে মন্ত্রী চোর ও দুর্নীতিবাজদের শায়েস্তা না করে সহনশীল হয়ে ঘুষ খেতে উপদেশ দেয়া কত বড় জঘন্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা রাষ্ট্র থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণের পর আবার ঘুষ খাবে তা হতে পারে না। প্রয়োজনে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বেতন-ভাতা বাড়িয়ে দেয়া হবে তবুও চুরি ও দুর্নীতি করার সুযোগ করে দেয়া মস্ত বড় অপরাধ ও গুনাহের কাজ।
তিনি আরো বলেন, ইসলাম চুরি ও দুর্নীতিকে কখনো প্রশ্রয় দেয় না। চুরি প্রসঙ্গে রাসূল সা. বলেছেন, আমার মেয়ে ফাতেমাও যদি চুরি করতো তাহলে আমি তার হাত কেটে দিতাম” এ থেকে বুঝা যায় যে, ইসলাম চুরি ও দুর্নীতিকে কতটুকু জঘন্য হিসেবে দেখে। ইসলাম চুরি ও দুর্নীতি বন্ধ নয় বরং মুলোৎপাটনে বিশ্বাসী। তাই চুরি ও দুর্নীতি বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নাই। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে ইসলামের ছায়াতলে ফিরে আসতে হবে। চোর ও দুর্নীতিবাজরা দেশ ও জাতির শত্র“। এই চোরদের বয়কট করতে ইসলামকে বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আপনার মতামত দিন
887Shares

স্যোসাল মিডিয়াতে দেখুন আমাদের সংবাদ

Follow us on Facebook Follow us on Twitter Follow us on Pinterest 0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     একই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ