আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

১দিন পরেই চরমোনাই বার্ষিক মাহফিল; পথে পথে হাজারো কাফেলার জনশ্রোত

নাজিম উদ্দিন: চরমোনাই মাহফিলকে বলা হয়ে থাকে বিশ্বইস্তেমার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মুসলিম গণজমায়েত অথবা বিশ্বের ৩য় বৃহৎ ইসলামী মহাসম্মেলন! আগামী ২০, ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি-২০১৯ এবছর চরমোনাই ফাল্গুনের ঐতিহাসিক সেই মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও চরমোনাই এই মাহফিলকে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এবছর মাহফিলের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আইএবি নিউজ-এর পক্ষ থেকে আমি কথা বলেছিলাম, মাহফিলে দায়িত্বরত (এল এম টি) বিভাগের প্রধান মুহা. ফখরুল ইসলামের সাথে।
তার তথ্য মতে, এবছর মুসুল্লিদের জন্য ৫টি সুবিশাল মাঠ সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই অনেকাংশে মুসুল্লিতে ভরপুর হয়ে গেছে। ৫টি মাঠের আয়তন প্রায় ১৪/১৫ বর্গ কিলোমিটার। ধারাবাহিকতার দিক দিযে প্রতিবারেই জনশ্রোত  বৃদ্ধি পাচ্ছি এই মাহফিলের, এরই ধারাবাহিকতায় গতবার ৪ টি মাঠ ছিল, এবার ১ টি মাঠ বাড়ানো হয়েছে।
আইএবি নিউজের বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধিরা ইতো মধ্যে অনেকেই মাঠে পৌছে গেছে এবং পথে আছে। মাহফিলের সার্বক্ষণিক মিডিয়ায় তুলে ধরতে থাকবে বিশেষ টিম।
মাহফিলের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য কয়েকটি প্রশাসনিক ও স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে৷ মাহফিলের নিরাপত্তায় বরিশাল জেলার পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা বিভাগ মিলে ১০ প্লাটুন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবে।
এছাড়া নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক থেকে ৩৫০ জন গোয়েন্দা বাহিনীর কাজ করবে। মুসুল্লিদের সেবায় চরমোনাই মাদরাসার ২৫০০ হাজার ছাত্র ও স্বেচ্ছাসেবক ২০০০ হাজার নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া জরুরি আলাপের জন্য ৫টি মাঠেই টেলিফোন সংযোগ দেয়া হয়েছে, পাশাপাশি স্স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য আদান প্রদানের জন্য ওয়াকিউট ব্যবহ্নিত হচ্ছে। মাহফিলের পুরো এলাকাকে আলোকিত করতে মাহফিলের সুবিশাল এলাকা জুড়ে অগণিত হাজার হাজার লাইট লাগানো হয়েছে। মাহফিল উপলক্ষে মুসুল্লিদের জন্য ৩৬০০ শত মাইক লাগানো হয়েছে। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ৪ টি সুবিশাল জেনেরেটর প্রস্তুত করা হয়েছে। মুসুল্লিদের জন্য ১৫,০০০ হাজার বাথরুম ও গোসলখানা করা হয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রয়েছে মনিটরিং টিম। হোটেল রেস্তোরাঁয় পঁচা ও বাসি খাবার প্রতিরোধে শক্তিশালী টিম গঠন করা হয়েছে।
মাহফিলে অসুস্থ মুসুল্লিদের সেবা দিতে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল স্থাপন ও ২০ জন অভিজ্ঞ এমবিবিএস ডাক্তার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ভারতের লৌক্ষ্ম ও দেওবন্দ, ওমান, কাতার, মিশর এবং বাহরাইনের শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ উপস্থিত হয়ে বয়ান ও আলোচনা করবেন।

আপনার মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category