আজ ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

চরমোনাই কিতাব ভেদে মারেফত নিয়ে বিভ্রান্তির সত্যতা কতটুকু? (ভিডিওসহ)

অনলাইন অফলাইনে চরমোনাই কিতাব ভেদে মারেফত নিয়ে অনেকে বিভ্রান্তিতে। যদিও আহলে সুন্নাত ওয়ালা জামাতের আকিদা ও উলামায়ে কেরামের এ নিয়ে কোন সংশয় নেই কিন্তু একদল মানুষ এ নিয়ে জলঘোলা করছে অনলাইনে। সহজ সরল মানুষদের চরমোনাই কিতাবের  কিছু অংশ কাটিং করে তা তুলে ধরছে। এ নিয়ে চরমোনাই শায়েখের স্পষ্ঠ বক্তব্য নিম্নে তুলে ধরা হলো:
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর শায়খুল হাদীস মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম দা. বা. ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলে আম জনতার উদ্যোশে এক গুরুত্বপূর্ণ বয়ান রাখেন। অনলাইনে-অফলাইনে চরমোনাই কিতাব ‘ভেদে-মারেফত’ নিয়ে চরম বিভ্রান্তি ছড়ানো প্রসঙ্গে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ভেদে মারেফত কোন উসূলী কিতাব না, হাদিসের কিতাব না। আজকে আমরা সিদ্ধান্ত নিব, প্রয়োজনে ভেদে মারেফত পুড়িয়ে ফেলবো। আমার দাদাজান (কিতাবের লেখক সৈয়দ এছহাক রহ.) বলেন নাই এটা আমার/আমাদের উসূলী কিতাব, এর উপর চলতে হবে। ভেদে মারেফত না কোরআন না কোন হাদিস। আমরা যদি সিদ্ধান্ত নেই, ভেদে মারেফত আমরা পড়বো না, ছাপাবো না, আমরা পুড়িয়ে ফেলবো, তবে আমাদের সুন্নত তরক হবে না, আমাদের গুনাহও হবে না। আমরা এমন উসূলে বিশ্বাসী নই যে যেটা হক না সেটার উপর থাকতে হবে। আমাদের শায়েকগণ এটা শিক্ষা দেয়নি। আমাদের নজরে ভেদে-মারেফতে কোন ভুল আমরা দেখিনা। যদি আপনারা দেখেন তাহলে ধরিয়ে দিন। ভেদে মারেফত এবং আমাদের আরো অন্যান্য কিতাব সম্পর্কে অভিযোগ আছে, এসবের প্রশ্নের জবাবে আমরা মুমিনের হাতিয়ার কিতাব লিখেছি (বইটির অনলাইন ভার্সন পড়ুন এই লিংক থেকে: মুমিনের হাতিয়া
। সেখানে আমরা টেলিফোন নম্বর দিয়েছি, কিন্তু কেউ তো কখনো মুমিনের হাতিয়ারের মধ্যে এই ভুল আছে, সেই ভুল আছে এমন অভিযোগ করেননি? মুমিনের হাতিয়ারে যে জবাব দেওয়া হয়েছে তার উত্তর দিতে পারে নাই বিভ্রান্তকারীরা। বিভ্রান্তকারীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমাদের প্রশ্ন করুন, যদি সুস্পষ্ট জবাব দিতে না পারি তবে লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে বলছি, ভেদে-মারেফত, আশেক-মাশুক, দাদা জানের (সৈয়দ ইসহাক রহ.), আব্বা জানের বয়ান (সৈয়দ ফজলুল করীম (রহ.), আমীরের মুখস্ত বয়ান, আমার মুখস্ত বয়ান, উলামায়ে কেরামের মুখস্ত বয়ান এসব শরীয়তের দলীল না, বরং আমাদের দলীল কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস। এই কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াসের বিপরীতে সব বাতিল, সব বাতিল। তিনি আরো বলেন, এক মুমিন আরেক মুমিনের জন্য আয়না স্বরূপ। পেছনে গীবত, শেকায়েত করবেন না, আমাদের কাছে আসেন, আমাদের দারুল ইফতায় আসেন, আমাদের উলামায়ে কেরামের সাথে বসেন, আলোচনা করেন, আমাদের মুফতিয়ায়ে কেরাম আপনাদের জবাব দিতে সর্বদা প্রস্তুত আছে। যদি বুঝাতে পারেন, ইল্লাহ জিকির জায়েজ নাই, জলি জিকির জায়েজ নাই, পেছনে কেন? সামনে আসুন, আমাদের সাথে বসুন।

আপনার মতামত দিন
0Shares

স্যোসাল মিডিয়াতে দেখুন আমাদের সংবাদ

Follow us on Facebook Follow us on Twitter Follow us on Pinterest 0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     একই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ